অনলাইন ডেস্ক
২০১৬ সালের কাতার থেকে মিসরে ফেরার পর মাহমুদকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে ভুয়া সংবাদ প্রকাশ ও বিদেশি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করে দেশের সুনাম ক্ষুণ্ণের অভিযোগ আনে মিসরের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। তবে এখন পর্যন্ত তার বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেনি মিসর সরকার।
এছাড়া মাহুমদ এবং আল জাজিরা বারবার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
শনিবার তার মুক্তির পর আল জাজিরা নেটওয়ার্কের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক মোস্তফা সোয়াগ এক বিবৃতিতে বলেন, মাহমুদের মুক্তি সত্যের এক মুহূর্ত এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতার জন্য একটি মাইলফলক।
তিনি বলেন, মাহমুদের মুক্তিকে আমরা স্বাগত জানাই। আমরা বিশ্বাস করি, গত চার বছর মাহুমদের সঙ্গে যা হয়েছে এই পরিণতি আর কোনো সাংবাদিককে ভোগ করতে হবে না।
আরবি ভাষার সংবাদ মাধ্যম কাজের দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে নয় সন্তানের জনক মাহুমদ হুসেইনের। আল জাজিরা অ্যারাবিকে বেশ কয়েক বছর ফ্রিল্যান্স্যার হিসেবে কাজ করার পর ২০১০ সালে পূর্ণ মেয়াদে যোগদান করেন। প্রথমে তিনি মিসরের কায়রোতে যোগদান করেন। এরপর কাজ করেন কাতারের দোহায়।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা