অনলাইন ডেস্ক
নসরুল হামিদ বলেন, নতুন এই কূপে মজুদ আছে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। এটি থেকে দৈনিক গড়ে ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস তোলা যাবে। সে হিসাবে ২৬ থেকে ৩০ বছর গ্যাসক্ষেত্রটি থেকে গ্যাস পাওয়া যাবে।
গত মার্চের শুরুতে ভোলা সদর উপজেলার পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নে মালের হাটসংলগ্ন এলাকায় বাপেক্সের নকশা ও নির্দেশনা অনুযায়ী রাশিয়ার প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম খননকাজ শুরু করে। প্রায় চার কিলোমিটার বিস্তৃত এলাকায় ২৪ এপ্রিল প্রাথমিকভাবে গ্যাসের সন্ধান পেলে খনন শেষে অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়। গত ২৮ এপ্রিল কূপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে গ্যাসের অস্তিত্ব নিশ্চিত করা হয়। পরে সেখানে তিনটি স্তরে পরীক্ষা করে গ্যাসের অস্তিত্ব ও মজুদের পরিমাণ সম্পর্কে নিশ্চিত হয় বাপেক্স।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা