অনলাইন ডেস্ক
চিকিৎসকরা বলছেন, ইয়েলো ফাঙ্গাসের ক্ষেত্রে প্রথম থেকেই সতর্ক হতে হবে। না হলে শরীরের ভেতরে অনেক বেশি ক্ষতি হতে পারে।
ইয়েলো ফাঙ্গাস কী? যদিও এটি নতুন কোনও রোগ নয়। তবে এটি হোয়াইট ও ব্ল্যাক ফাঙ্গাসের তুলনায় অধিক ক্ষতিকর। এ বিষয় সতর্ক করেছেন চিকিৎসকরা। কারণ শরীরের অভ্যন্তরের অঙ্গকে প্রভাবিত করছে এই ফাঙ্গাস। গাজিয়াবাদে ইয়েলো ফাঙ্গাসের একটি ঘটনা সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে।
ইয়েলো ফাঙ্গাসের কারণ অন্য সংক্রমণের মতো এটিও প্রাথমিক ভাবে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের কারণেই হয়ে থাকে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ যেমন, দুর্বল স্বাস্থ্যবিধি, নোংরা খাবার এই ফাঙ্গাসের জন্য দায়ী। এমনকী স্টেরয়েডের অত্যধিক ব্যবহার ও অ্যান্টিব্যাক্টিরিয়াল মেডিকেশনকেও এই সংক্রমণের কারণ বলা হচ্ছে। আবার যে সমস্ত রোগীদের কো-মর্বিডিটি রয়েছে বা যাঁদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অত্যন্ত দুর্বল, তাঁদেরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
ইয়েলো ফাঙ্গাসের লক্ষণ এই ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হলে, শরীরের অভ্যন্তরে পুঁজ বা পাস বেরোতে শুরু করে। ঘা সাড়তে সময় লাগা, অঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়া, এমনকী কোনও কোনও ক্ষেত্রে অ্যাকিউট নেক্রোসিস পর্যন্ত হতে পারে ইয়েলো ফাঙ্গাসের কারণে। সংক্রমণের প্রথম পর্যায়ে রোগীরা আলস্য, ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন। এটি শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গে আক্রমণ হানে বলে অঙ্গগুলি প্রভাবিত হয় এবং ব্যক্তি তাঁর সমস্ত শক্তি হারাতে শুরু করেন। আবার খিদে না পাওয়া, খাওয়া-দাওয়া ভালোভাবে না করাও এর অন্যতম লক্ষণ। এর ফলে অপ্রত্যাশিত ভাবে ওজন কমতে শুরু করে, মেটাবলিজমও দুর্বল হয়ে পড়ে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই ফাঙ্গাস চোখেও আক্রমণ হানে। লাল বা বসে যাওয়া চোখ ইয়েলো ফাঙ্গাসে আক্রান্ত হওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে থাকে।
কতটা বিপজ্জনক ইয়েলো ফাঙ্গাস? বিষেশজ্ঞদের দাবি, ব্ল্যাক ও হোয়াইট ফাঙ্গাসের চেয়েও অনেক বেশি মারাত্মক ইয়েলো ফাঙ্গাস। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবেই এই সব ছত্রাক শরীরে বাসা বাঁধছে। আর এই হলুদ ছত্রাক শরীরে বাসা বাঁধার অন্যতম কারণ হতে পারে বাসি খাবার খাওয়া। চিকিৎসকদের মতে, ইয়েলো ফাঙ্গাসে সংক্রমণে মৃত্যুহার তুলনায় বেশি। কারণ এটি শরীরের ভেতরের অংশে বেশি ক্ষতের সৃষ্টি করতে সক্ষম।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা