অনলাইন ডেস্ক
সান্তিয়াগোর স্টেডিয়ামে ভালো শুরু করে স্বাগতিক চিলি। অভিজ্ঞ রাইট ব্যাক মরিসিও ইসলা বেশ কয়েকবার বক্সে জায়গা করে নিলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে গোলের দেখা পাননি।ব্রাজিলের হয়ে সুযোগ হাতছাড়া করেন নেইমার। আধা ঘণ্টার কিছু আগে গাব্রিয়েলের কাছ থেকে বল পাওয়ার পর চিলি গোলকিপার ক্লদিও ব্রাভোকে একা পেয়েও শট বাইরে মারেন এই সুপারস্টার।
৩০ মিনিটের মাথায় সম্ভাব্য বিপদ থেকে ব্রাজিলকে নিরাপদে রাখেন গোলকিপার ওয়েভারটন। আরতুরো ভিদালের ডিরেক্ট ফ্রি কিক ঠেকান প্রথমে। এরপর রিবাউন্ডে এদুয়ার্দো ভারগাসের নেয়া হেড ঠেকিয়ে দেন ব্রাজিলের কিপার।ব্রাজিলকে নাজেহাল করে ছাড়ে চিলির ফরোয়ার্ডরা। ৩৩ মিনিটে ইভান মোরালেস বল জালে জড়ালে রেফারি অফসাইডের কারণে তা বাতিল করে দেন। চিলি ডিফেন্ডার ইউহেনিও মেনা অফসাইড থেকে দলের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ নষ্ট করেন।গোলশূন্য অবস্থাতেই শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর নিজেদের গুছিয়ে নেয় ব্রাজিল। প্রথমার্ধের তুলনায় অনেকটাই পরিকল্পিত ফুটবল উপহার দেয় সেলেকাওরা।দারুণ এক ঝড়ো আক্রমণে ম্যাচে গোলের দেখা পায় ব্রাজিল। ডান দিক থেকে আক্রমণে ওঠেন দানিলো।বক্সের দিকে এগুতে থাকা নেইমারকে পাস দেন তিনি। নেইমার রিবেইরোর সঙ্গে ওয়ান-টু-ওয়ানের পর শট নেন গোলে। ব্রাজিলের দশ নম্বরের শট ঠেকিতে দিলেও, ফিরতি বলে রিবেইরোর শট আর ঠেকাতে পারেননি চিলির অধিনায়ক ব্রাভো।৬৪ মিনিটে রিবেইরো ওই স্ট্রাইকে এগিয়ে যায় ব্রাজিল। গোল পেয়ে রক্ষণে মনোযোগী হয় সফরকারী দল। তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ার লক্ষ্য ছিল তাদের।অন্যদিকে চিলি আক্রমণাত্মক খেলেও শেষ ৩০ মিনিটে তেমন পরিষ্কার সুযোগ তৈরি করতে পারেনি।
ফলে ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ব্রাজিল। এতে করে বাছাইপর্বের ৭ ম্যাচের ৭টিতে জয় নিয়ে দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলে শীর্ষে থাকল নেইমারের দল।বাছাইপর্বে এ নিয়ে টানা পাঁচ ম্যাচে কোনো গোল হজম না করার পাশাপাশি জয়ের মুখও দেখল ব্রাজিল। দক্ষিণ আমেরিকান অঞ্চলের বাছাইপর্বের ইতিহাসে কোনো গোল হজম না করে এটি সর্বোচ্চসংখ্যক ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ার কীর্তি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা