কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়া আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার মুদ্রণ সংস্করণ স্থগিত রাখা, কার্যালয়ের মুল গেইটে তালা লাগিয়ে দেয়া এবং পত্রিকাটির অনলাইন সংষ্করণ ও সাংবাদিক কর্মচারিদের বকেয়া বেতনের ব্যাপারে কোনো নির্দেশনা না থাকায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
রবিবার (০৫ এপ্রিল) এ ঘটনায় সংগঠনের কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি রফিকুল ইসলাম আজাদ ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ চৌধুরী উদ্বেগ প্রকাশ করে এক বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বিবৃতিতে ডিআরইউ নেতৃবৃন্দ বলেন, আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকায় কর্মরত ডিআরইউ সদস্যসহ অন্যান্য সংবাদকর্মী ও কর্মকর্তা-কর্মচারিদের সাথে আলোচনা না করে প্রায় তিন মাসের বেতন বকেয়া রেখে ৪ এপ্রিল থেকে মুদ্রণ সংস্করণ স্থগিত করা হয়েছে। কোভিড-১৯ (করোনভাইরাস) এর কারণে আলোকিত বাংলাদেশের সাংবাদিক-কর্মকর্তা-কর্মাচারীর স্বাস্থ্য সুরক্ষার স্বার্থে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে পত্রিকাটির সম্পাদক ও প্রকাশক দাবি করলেও পত্রিকাটি কখন থেকে প্রকাশিত হবে তার কোন নির্দেশনা নেই। এছাড়া পত্রিকার অনলাইন সংষ্করণ চালু থাকার কথা বলা হলেও সংবাদকর্মীরা কার কাছে রিপোর্ট পাঠাবে সে বিষয়ে কোনো নির্দেশনা নেই। একইসাথে পত্রিকাটির কার্যালয়ও রয়েছে তালাবদ্ধ। উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আলোকিত বাংলাদেশে কর্মরত ডিআরইউ সদস্যসহ সংবাদকর্মীদের চাকুরী অনিশ্চয়তায় গভীর উদ্বেগ জানান (ডিআরইউ) নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সাংবাদিক কর্মচারিদের বকেয়া বেতনসহ উদ্ভুত পরিস্থিতির শান্তিপূর্ণ সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানান। অন্যথায় ডিআরইউ’র সদস্যদের স্বার্থ রক্ষায় সংগঠন তাদের পাশে দাঁড়াবে এবং উদ্ভুত পরিস্থিতির সকল দায়ভার আলোকিত বাংলাদেশ পত্রিকার কর্তৃপক্ষকেই বহন করতে হবে বলে নেতৃবৃন্দ হুশিয়ারি উচ্চারন করেন।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা