অনলাইন ডেস্ক
এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা-এফএও। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় বিশ্ববাজারে এই প্রভাব পড়েছে বলে অভিমত সংশ্লিষ্টদের।
বিশ্বজুড়ে খাদ্যশস্যের দাম পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রতিমাসে একটি সূচক তৈরি করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা এফএও। সংস্থাটির সাম্প্রতিক সূচকে দেখা গেছে, গেলো জানুয়ারি মাসে এই সূচক ছিল প্রায় ১১৮ পয়েন্ট। যা ডিসেম্বরের তুলনায় ১ শতাংশ এবং গত বছরের তুলনায় ১০ দশমিক ৪ শতাংশ কম।
তালিকায় উল্লেখযোগ্যহারে কমেছে ভুট্টা ও গমের দাম। দক্ষিণ গোলার্ধের দেশগুলোতে ভুট্টার উৎপাদন বেড়েছে। তাতে বিশ্ববাজারে বেড়েছে সরবরাহ। এ নিয়ে রপ্তানিকারকদের মধ্যে তুমুল প্রতিযোগিতা থাকায় ভোগ্যপণ্যটির বড় দরপতন ঘটেছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ও আর্জেন্টিনায় ভুট্টার উৎপাদন বাড়ায় পণ্যটির মূল্য ভোক্তার নাগালে চলে এসেছে।
ভুট্টা ও গমের দাম কমায় ডিসেম্বরের তুলনায় সিরিয়ালের মূল্য কমেছে ২ দশমিক ২ শতাংশ। ডিসেম্বরের তুলনায় কমেছে ভোজ্যতেলের দামও। গত জানুয়ারিতে সারা বিশ্বে মাংসের দাম আরও কমেছে। এ নিয়ে টানা ৭ মাস খাদ্যপণ্যটির দর কমল। এছাড়া উৎপাদন বাড়ায় কমেছে তরল ও প্রক্রিয়াজাত করা দুধের দামও। তবে একই সময়ে চিনির দাম বেড়েছে।
অন্য আর একটি প্রতিবেদনে এফএও জানিয়েছে, ২০২৩ সালে বিশ্বে ২ দশমিক ৮৩৬ বিলিয়ন টন দানাশস্য যেমন- ধান, গম, ভুট্টা ইত্যাদি উৎপাদিত হয়েছে। যা ২০২২ সালের চেয়ে ১ দশমিক ২ শতাংশ বেশি এবং এ যাবৎ কালের প্রায় সর্বোচ্চ। এ কারণেই জানুয়ারিতে বিশ্বজুড়ে দানাশস্যের দাম কমেছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা