অনলাইন ডেস্ক
মাউন্ট সিনাই ব্রুকলিনে একজন ফিজিশিয়ান হিসেবে কাজ করার পাশাপাশি নিউ ইয়র্ক কমিউনিটি হাসপাতালের জরুরি বিভাগ সামলানো ডা. ফারহাত বলেন, “সাধারণত ট্রাম্পের সঙ্গে আমার মতের মিল হয় না। কিন্তু আমার মনে হয় ১৫ মে আমাদের সব কিছু খুলে দেওয়া উচিত।”
নিউ ইয়র্ক গভর্নরের তিন ধাপে লকডাউন তোলার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী সপ্তাহ থেকেই বিধি-নিষেধ শিথিল হতে শুরু করবে, যে বিধি-নিষেধের বেড়াজালে কয়েক মাস ধরে অচল হয়ে আছে ‘বিগ অ্যাপল’ খ্যাত এই শহর।
তবে ডা. ফারহাতসহ নিউ ইয়র্কের অন্যান্য হাসপাতালের যেসব চিকিৎসকের সঙ্গে ব্রিটিশ সংবাদপত্র টেলিগ্রাফের কথা হয়েছে তারা সবাই সামনের কাতারে থেকে করোনাভাইরাস সংকট মোকাবেলার অভিজ্ঞতা থেকে আর বিলম্ব না করে নিউ ইয়র্ককে পুরোপুরি সচল করার কথা বলেছেন।
হাসপাতালে নতুন রোগী আসা কমে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে ডা. ফারহাত বলেন, “এখন সব কিছু খুলে দিলে যে ঝুঁকি হবে তা আমাদের নেওয়া উচিত।”
শ্বাসতন্ত্রের রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. ফারহাত উদ্বিগ্ন যে, এই সময়ে তীব্র হাঁপানি, হৃদরোগ ও স্ট্রোকের রোগী আসছে না সাধারণত যেগুলো তার জরুরি বিভাগের শয্যা দখল করে রাখত।
তার উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, করোনাভাইরাসের কারণে এই সব রোগীদের চিকিৎসা সেবা পাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ঘরে থাকার (স্টে অ্যাট হোম) কৌশলের পরিণতি হিসেবে হয়ত কারও কারও মৃত্যুও হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
নিউ ইয়র্ক ফায়ার ডিপার্টমেন্টের তথ্য অনুযায়ী, অ্যাম্বুলেন্স ডাকার নম্বর ৯১১ এ ফোন কলের সংখ্যা এপ্রিলের শেষ দিকে কমে তিন হাজার ৩২০ এ দাঁড়িয়েছে, যেখানে ৩০ মার্চ ছিল ছয় হাজার ৫২৭টি। এপ্রিলের শেষে ফোন কলের ওই সংখ্যা কয়েক বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।
অনেক করোনাভাইরাস রোগীকে চিকিৎসা দেওয়া নিউ ইয়র্কের ব্রঙ্কসের সেন্ট বারনাবাস হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ডা. ড্যানিয়েল মারফির মতে, এই রোগ ঘিরে ‘বাড়তি ভীতি’ মানুষের সার্বিক কর্মকাণ্ডের ওপর প্রভাব ফেলেছে।
fblsk
করোনা পরিসংখ্যান এর লাইভ আপডেট দেখুন
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা