অনলাইন ডেস্ক
চলতি সপ্তাহের শুরুতে অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকার দক্ষিণে হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল। এরপর থেকে ফিলিস্তিনি বাসিন্দাদের দক্ষিণের আল-মাওয়াসি শহরের একটি অংশে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়ে আসছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জোরাজোরি করলেও প্রকৃত পক্ষে শহরটি প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দিতে পারবে কি না, সে প্রশ্ন বারবার সামনে আসছে।গাজা উপত্যকার দক্ষিণে অবস্থিত একটি উপকূলীয় শহর আল-মাওয়াসি। ছোট ও সরু শহরটির প্রস্থে এক কিলোমিটার আর লম্বায় ১৪ কিলোমিটার। ২০০৫ সালে ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এরিয়েল শ্যারন গাজায় ইসরায়েলি বসতি বন্ধ করার আগ পর্যন্ত এই শহরের চারপাশে সেটেলাররা বসবাস করত।ইসরায়েল এই ছোট, জনশূন্য ও বালুময় শহরের মাত্র সাড়ে ছয় বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মানবিক অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করেছে। আর এখানেই বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়ার কথা বলে আসছে। এই এলাকার আকার লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরের আয়তনের অর্ধেক।
গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বাস্তুচ্যুত প্রায় ২০ লাখ ফিলিস্তিনির একজন রিম আবদ রাবু। গত কয়েক সপ্তাহ আল-মাওয়াসি শহরে আরও চারটি পরিবারের সঙ্গে একটি তাঁবু ভাগাভাগি করে মাটিতে ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন। তিনি বিবিবিকে বলেছেন, আল-মাওয়াসি একটি পরিত্যক্ত এলাকা। এটি মানুষের বসবাসের জায়গা নয়।
রিম আবদ রাবু ভেবেছিলেন ইসরায়েলি তীব্র বোমাবর্ষণ থেকে এই শহরটি নিরাপদ হবে। কিন্তু এখানে এসে তিনি খুব সামান্য মৌলিক পরিষেবাও খুঁজে পাননি। তিনি বলেন, পানি একদিন আসলে ১০ দিন আসে না। বিদ্যুতের ক্ষেত্রেও একই কথা খাটে। বাথরুমের বেলায়ও একই।
সম্প্রতি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের একটি দল সেখানকার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে আল-মাওয়াসি পরিদর্শন করেছে। তারা সেখানে ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো আশ্রয় ব্যবস্থা দেখেননি। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থাও গাজার মানবিক অঞ্চলের কার্যকারিতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এ বিষয়ে ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে বিবিসি যোগাযোগ করলে তারা কোনো জবাব দেয়নি।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা