অনলাইন ডেস্ক
সোমবার (৩১ জুলাই) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত হয় বিএনপির জনসমাবেশ। দীর্ঘদিন পর সরকার পতনে এমন টানা আন্দোলনে বিএনপি। গেলো শনিবার ঢাকার প্রবেশমুখে অবস্থান কর্মসূচিতে হামলার প্রতিবাদে এই জনসমাবেশ। দুপুর থেকেই স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।
জনসমাবেশে বিএনপি নেতারা বলেন, জনগণের অধিকার আদায়ে এই সংগ্রাম। বিএনপির আন্দোলনে পুলিশ ও আওয়ামী কর্মীরা যেভাবে যৌথ পরিকল্পনায় হামলে পড়ে তাতে মনে হয় আওয়ামী লীগের সঙ্গে পাকিস্তানি হানাদারদের কোনও পার্থক্য নেই। আগামী দিনে জনগণ রাস্তায় থাকবে। বাধা এলে, প্রতিরোধের হুঁশিয়ারি সবার কণ্ঠে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপির অবস্থান কর্মসূচিতে ভয়ে ভীত হয়ে সাঁজোয়া যান, সমস্ত গুন্ডাবাহিনী নিয়ে নিরস্ত্র জনগণের উপর গুলি চালিয়েছে জালিম সরকার। সরকার এত ভীত যে ১ হাজার ২০০ লোককে গ্রেফতার করেছে। গত রাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তল্লাশি করেছে। গত ১৫ বছর এমন করে কি আটকাতে পেরেছে? গ্রেফতার করে এবার লাভ হবে না।
বিএনপি নেতা আমান উল্ল্যাহ আমান ও গয়েশ্বর চন্দ্রকে নিয়ে সরকার নাটক করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বলেন, সবচেয়ে খারাপ কাজ যেটা করেছে…এ দেশে এটা কম হয়…গয়েশ্বর, যিনি মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, তাকে পিটিয়ে মাটিতে ফেলে আবার পিটিয়েছে। আবার নাটক করেছে। খাওয়া দিয়ে ভিডিও করেছে। এতে কি গয়েশ্বর ছোট হয়েছেন? হননি। এতে আওয়ামী লীগ ছোট হয়েছে।
বিএনপি নেতারা বলেন, আওয়ামী লীগ দুইবার প্রতারণার আশ্রয়ে কোনও নির্বাচন না করে জোর করে ক্ষমতায় টিকে আছে। দেশের মানুষকে আর বোকা বানানো যাবে না। দেশের মানুষ একসঙ্গে জেগে উঠেছে। দাবি একটাই, সরকারের পদত্যাগ। তিনি দাবি করেন, দেশে-বিদেশে তাদের (আওয়ামী লীগ সরকারের) সমর্থন নেই।
সমাবেশ থেকে নতুন কোনো কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়নি। সমমনা দল ও জোটগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে ঘোষণা দেন বিএনপি মহাসচিব।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা