অনলাইন ডেস্ক
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) এক ভিডিও প্রেস কনফারেন্সে এসব দাবি তুলে ধরে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কল সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব), বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডর্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। ভিডিও কনফারেন্সে সংগঠনের সভাপতিরা বক্তব্য রাখেন।
কনফারেন্সে আলোচনার সূত্রপাত করে বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর বলেন, প্রধানমন্ত্রী রপ্তানিমুখী শিল্প, সেবা খাত এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্য প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকার ঋণ প্রণোদনা প্যাকেজ হিসেবে ঘোষণা করলেও এর সুবিধা আমাদের এ খাতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো নিতে পারছে না। কারণ ব্যাংকগুলো বলছে, তাদের কাছ থেকে আগে ঋণ নেওয়া না থাকলে কিংবা বাড়ি অথবা জমি মর্টগেজ না রাখলে তাদের পক্ষে লোন দেওয়া সম্ভব নয়। এ খাতের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে সহজ শর্তে জামানতবিহীন ঋণ সুবিধা নিতে পারে সে জন্য সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ তহবিল গঠনের আহ্বান জানাচ্ছি আমরা।
‘আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সরল ২ শতাংশ সুদে ঋণ দেওয়া হোক। ঋণে ১২ মাস গ্রেস পিরিয়ড থাকবে, অর্থ্যাৎ ত্রয়োদশ মাস থেকে ঋণ পরিশোধের কিস্তি শুরু হবে। আর ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে ওই প্রতিষ্ঠানের পণ্য, তাদের পূর্বের লেনদেন, বাজারে সুনাম এবং তাদের গ্রাহক কারা এসব বিষয় বিবেচনায় আনা যেতে পারে।’
ইক্যাব সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ইক্যাবে প্রায় এক হাজার ২শ’ সদস্য আছেন। করোনার কারণে তাদের প্রায় ৯৮ শতাংশই বসে গেছেন। তাদের বেশিরভাগই ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা। অথচ করোনার শুরু থেকেই আইসিটি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও কর্মীরা কাজ করে চলেছেন। ফলে আসন্ন বাজেটে এ খাতের জন্য বিশেষ একটি প্রণোদনা তহবিল দরকার।
আইসিটি খাতের ব্যবসায়ী নেতারা আরও বলেন, করোনার মতো বৈশ্বিক মহামারির ফলে গোটা পৃথিবীর সব ব্যবসা-বাণিজ্য ও উদ্যোগ বন্ধ হয়ে গেলেও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার মতো বন্ধ হয়নি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতগুলো। এ ধরনের সংকট মোকাবিলায় তাই প্রযুক্তির ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা তীব্রভাবে অনুভূত হচ্ছে। ফলে এ খাতের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার দাবি জানান তারা।
এছাড়াও করোনার কারণে আইসিটি প্রতিষ্ঠানগুলোর আর্থিক সংকট কাটিয়ে উঠতে আরও বেশ কয়েকটি দাবি জানানো হয় প্রেস কনফারেন্সে। এর মধ্যে আছে আসন্ন বাজেটে সফটওয়্যার ও আইটিইএস-এর ওপর প্রদত্ত আয়কর অব্যাহতির স্বপক্ষে ট্যাক্স এক্সেম্পশন সার্টিফিকেটপ্রাপ্তি সহজীকরণ, আইটিএস-এর বর্তমান সংজ্ঞায় বাদ পড়া বিষয়গুলির অন্তর্ভুক্তি এবং ই-কমার্স ও আইএসপি সার্ভিসকে আইটিএস-এর সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা এবং ইন্টারনেট সেবায় ৫ শতাংশ ভ্যাট, ভ্যালু চেইনের অন্যান্য (আইটিসি, আইআইজি ও এনটিটিএন) খাতে ১৫ শতাংশ ভ্যাট তুলে দেওয়া, ই-কমার্স খাতকে করপোরেট ট্যাক্স এবং ভ্যাট থেকে অন্তত আগামী ৩ বছরের জন্য অব্যাহতি প্রদান এবং ব্যাংক ঋণ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জন্য ই-কমার্সকে একটি পৃথক সংজ্ঞায় সংজ্ঞায়িত করা।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা