সাগরে মাছ ধরতে যাবার দুইদিন পর সাগরে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়
মিয়ানমার সমুদ্র সীমানায় হারিয়ে যাওয়া ১৭ বাংলাদেশী নিরাপদে বাড়ি ফিরেছে। বাংলাদেশ দূতাবাস এবং কোস্ট গার্ডের সার্বিক সহায়তায় এই নাগরিকরা দেশে ফিরে আসতে সক্ষম হয়েছে বলে কোস্ট গার্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
কোস্ট গার্ড সূত্র জানায়, ২৯ নভেম্বর চট্টগ্রামের কর্ণফূলি নদীর চাক্তাই এলাকা থেকে এফবি গোলতাজ-৪ নামের একটি ফিশিং ট্রলার ১৭ জেলেসহ গভীর সাগরে মাছ ধরার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। যাত্রার দুইদিন পর সাগরে ট্রলারটির ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। ০৪ ডিসেম্বর বিকালে ভাসতে ভাসতে ট্রলারটি মিয়ানমারের জলসীমায় রাখাইন রাজ্যের রাথিডং সাগর উপকূলে মায়ো দ্বীপের কাছাকাছি চলে গেলে মিয়ানমারের নৌবাহিনী জাহাজ ‘ইন-লে’ ট্রলারটিকে সনাক্ত করে সিটওয়ে বন্দরে নিয়ে যায়। মিয়ানমারের নৌবাহিনী ট্রলারটির ক্রুদের জাতীয়তা যাচাই শেষে রাখাইন প্রদেশের সীমান্তসুরক্ষা ও নিরাপত্তা মন্ত্রী বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে হস্তান্তর করে।
বাংলাদেশ দূতাবাস মালিকপক্ষ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুততার সাথে হস্তান্তর প্রক্রিয়ার অনুরোধ জানায়। পরবর্তীতে ০৬ ডিসেম্বর রাতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড জাহাজ ‘তাজউদ্দীন’ সেন্টমার্টিন্স দ্বীপের ৬ মাইল পূর্বে বাংলাদেশ মিয়ানমারের আন্তজার্তিক সমুদ্র সীমানার জিরো লাইনের কাছে অবস্থান নেয় এবং ১৭ জন জেলেসহ ট্রলারটিকে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের কাছে হস্তান্তর করে।
ট্রলারের জেলেরা হলেন- মো. ফারুক (৪৫), মো. বাবুল (৫৫), মো. সেলিম (৫৭), মো. আবু সৈয়দ (৩৭), মো. কালাম (৫৭), মো. জসিম (৪০), মো. বুলেট (৪৪), মো. মোতাহার (৪৫), মো. কামাল (৫০), মো. জসিম (৫১), মো. নাসিম (৪৭), মো. জহির (৩০), মো. শাহ আলম (৬১), মো. নুর ইসলাম (৪৮), মো. বেলাল (২৭), মো. আলআমিন (২২), মো. জাহাঙ্গির (৪১)। এদের সবাই চট্টগ্রাম, ভোলা, মুন্সিগঞ্জ এবং চাদঁপুরের বাসিন্দা। পরবর্তীতে বিসিজি স্টেশান সেন্টমার্টিন্স এর মাধ্যমে বোটের মালিকের উপস্থিতিতে সেন্টমার্টিন্স পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা