অনলাইন ডেস্ক
সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে রুবিও বলেন, “আমি মনে করি, কোনো সন্দেহ নেই, এই যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দুর্ভাগ্যজনকভাবে ন্যাটোর সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করতে হবে। ন্যাটোর সঙ্গে আমাদের দেশের সম্পর্কের যে দাম আছে, সেটি আমাদের পুনর্বিবেচনা করতে হবে। এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
গত মাসে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ হামলার পর মার্কিনিরা ন্যাটোভুক্ত দেশকে এই সংঘাতে যুক্ত করতে চেয়েছিল। কিন্তু ন্যাটো এতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। এতে করে সংস্থাটির ওপর ক্ষুব্ধ হয়েছেন ট্রাম্প।
এদিকে ১৯৪৯ সালে উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট বা ন্যাটো গঠিত হয়। বর্তমানে এই জোটের সদস্য ৩২টি। সামরিক এ জোটের মূল লক্ষ্য হলো সদস্য দেশগুলোর রাজনৈতিক ও সামরিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো এর চার্টারের ‘আর্টিকেল ৫’।
এই আর্টিকেল অনুযায়ী, ন্যাটোর কোনো সদস্য দেশের ওপর সশস্ত্র হামলা হলে তা জোটভুক্ত সকল দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হবে। এমন পরিস্থিতিতে আক্রান্ত দেশটিকে রক্ষায় অন্য সব সদস্য রাষ্ট্র সামরিক সহায়তাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য থাকবে। ন্যাটোর ইতিহাসে ২০০১ সালে প্রথম ও শেষবার এ আর্টিকেলটি কার্যকর করা হয়। ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হামলার পর ন্যাটোর আর্টিকেলটি কার্যকর করে আফগানিস্তানে হামলা চালানো হয়।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা