অনলাইন ডেস্ক
শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মরহুমের ছোটো ভাই সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য পীর ফজলুর রহমান মিসবাহ এ তথ্য জানিয়েছেন। বরেণ্য সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমানের প্রথম জানাজা শনিবার বাদ এশা উত্তরা চার নম্বর সেক্টরের পার্ক মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর রোববার বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাখা হবে। সেখান থেকে বেলা সাড়ে ১২টায় তাকে জাতীয় প্রেসক্লাবে নিয়ে আসা হবে। প্রেসক্লাবে নামাজে জানাজার পর তার মরদেহ সুনামগঞ্জে নিয়ে যাওয়া হবে।
এর আগে এদিন বিকাল ৪টা ৮ মিনিটে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক পীর হাবিবুর রহমান। তার ছেলে আনাফ ফাহিম অন্তর এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
পীর হাবিবুর রহমানের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
গতবছর অক্টোবরে মুম্বাই জাসলুক হাসপাতালে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্টেশনের মাধ্যমে ক্যানসার মুক্ত হন পীর হাবিবুর রহমান। গত ২২ জানুয়ারি তিনি করোনায় আক্রান্ত হন। বিশিষ্ট চিকিৎসক অধ্যাপক এবিএম আব্দুল্লাহর পরামর্শে ৫৮ বছর বয়সী এই জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি হন। করোনামুক্ত হওয়ার পর কিডনিগত জটিলতার কারণে তাকে ভর্তি হতে হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থাতেই স্ট্রোক করেন পীর হাবিব।
বরেণ্য সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও কলামিস্ট পীর হাবিবুর রহমানের জন্ম ১৯৬৩ সালের ১২ নভেম্বর সুনামগঞ্জ শহরে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালে ১৯৮৪ সাল থেকে সাংবাদিকতায় তার হাতেখড়ি নেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি দৈনিক বাংলাবাজার, যুগান্তর, মানবকণ্ঠ, আমাদের সময় পত্রিকায় কাজ করেছেন। সর্বশেষ তিনি বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছিলেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা