অনলাইন ডেস্ক
শ্রীলঙ্কার জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন নিশাঙ্কা। চলতি আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করে ৫২ বলে ১০০ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ৩৮ বলে ৫১ রান করা কুশলকে নিয়ে দ্বিতীয় উইকেটে ৯৭ রানের জুটি গড়ে রান তাড়ার ভিত তৈরি করেন নিশাঙ্কা। ১৩তম ওভারে কুশলকে তিনি হারালেও তারপর থেকে তিনি দ্রুতগতির ইনিংস খেলেন।
ম্যাচের পর নিশাঙ্কা বলেছেন, ‘প্রথম উইকেট হারানোর পর কুশল ও আমি ভালো একটি পাওয়ার প্লের পরিকল্পনা করেছিলাম। সে ভালো শুরু পেয়েছিল, তাতে আমার কাজটা সহজ হয়েছে। আমরা ভেবেছিলাম কিছুটা শিশির পড়তে পারে। সেটি পড়ার আগ পর্যন্ত আমরা স্বাভাবিকভাবে ব্যাট করার পরিকল্পনা করেছিলাম। ১২ ওভারের পর আমরা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে আমাদের মধ্যে একজন আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে চেয়েছিলাম।’
শিশির বড় কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনি। অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক মিচেল মার্শ বলেছেন, কন্ডিশন তার কাছে খুব বেশি শিশিরস্নাত মনে হয়নি। তবুও নিশাঙ্কা তার খেলা শেষ ২০ বলে ৫০ রান তুলে নেন, ওই সময়ে পাঁচ চার ও তিনটি ছয় মারেন। ১৮তম ওভারের পঞ্চম বলে টি-টোয়েন্টিতে দ্বিতীয়বারের মতো তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছান তিনি।
নিশাঙ্কা বললেন, ‘এই বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করার একটি বড় লক্ষ্য ছিল আমার। আমি খুশি যে সেটা করতে পেরেছি। এই উইকেটে আমরা একটি ম্যাচ খেলেছিলাম। আমরা জানতাম সেটা ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। কুশল ও আমিও ভালো ব্যাট করছিলাম বলে অস্ট্রেলিয়া আমাদেরকে ততটা ভালো বল করতে পারেনি।’
সেঞ্চুরিই শুধু এই ম্যাচে নিশাঙ্কার চমৎকার পারফরম্যান্স নয়। ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে অবিশ্বাস্য এক ক্যাচ নেন তিনি। বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে শূন্যে ভেসে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের ব্যাটে লেগে আসা বল লুফে নেন। এর আগে অস্ট্রেলিয়ার একই ব্যাটারের একটি সহজ ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি। ওই ক্যাচ ছাড়ার প্রায়শ্চিত্ত করতেই কি এমন ঝুঁকি নিয়েছিলেন?
ম্যাচসেরা নিশাঙ্কা বললেন, ‘প্রথম ক্যাচ ফেলার পর আমি হতাশ ছিলাম কারণ আমি জানতাম আমাদের এই উইকেট দরকার। তখনই আমি মনস্থির করলাম যে দলের জন্য বিশেষ কিছু করতে হবে আমাকে। ভেবেছিলাম, সে হয়তো ওই মুহূর্তে রিভার্স সুইপ খেলবে এবং মাঠ থেকে সেটা দেখছিলাম। সৌভাগ্যবশত ক্যাচটা নিতে পেরেছিলাম আমি।’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা