তাসকিনা ইয়াসমিন
আমি নিজে ভোট দিয়েছি। আমার কেন্দ্র ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবরেটরী স্কুল। সেইকেন্দ্রে তো শান্তিপূর্ণ ভোট হয়েছে। কোন অসুবিধা নেই। লোকজন ছিল। তবে, ভোটার উপস্থিতিটা কম ছিল বলে আমার মনে হয়েছে। এমনি মানুষের মধ্যে স্বাভাবিক অবস্থাই ছিল। যারাই ভোট দিতে গেছে তারা ভোট দিয়েছে। আমার চোখের সামনে আমি কয়েকটা রুমে দেখলাম বুথে ভালভাবেই ভোট হচ্ছে। তবে, পুরো ঢাকার চিত্র তো আমি জানিনা। টেলিভিশনে কিছু দেখেছি। আবার কিছু বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে কথা হয়েছে। আবার কেউ কেউ বলল, মারামারি হয়েছে। তবে, মারামারি কি পরিমাণ কি স্কেলে হয়েছে আমি জানিনা। কিছু মারামারি হতেই পারে।
ভোট নিয়ে উত্তেজনা তো কিছূ থাকেই। কারণ বড় দুইটা দলের মধ্যে প্রতিযোগিতা। আর, এখানে যেহেতু মেয়র এবং কাউন্সিলর নির্বাচন একসাথে হয়েছে, তাই কাউন্সিলরদের অনেক ভক্ত কিম্বা পাড়া-প্রতিবেশি আছে। তারা তাদের ভোটারদের উপস্থিত করার জন্য চেষ্টা করে। তারা একটা ব্যক্তিগত যোগাযোগে থাকে। এই যে ব্যক্তিগত যোগােযাগ এটা কিন্তু মেয়রের ভোটকে কিছুটা ত্বরান্বিত করে, অংশগ্রহণমূলক করে। সেই হিসেবে কোন কোন কেন্দ্রে হয়ত কিছু উত্তেজনা ছিল। এটা হতে পারে। এটা খুব অস্বাভাবিক না।
তবে, যেভাবে প্রচার প্রচারনা চলেছে গত তিন সপ্তাহ তাতে করে তো আমি খুবই আশাবাদী যে খুব ভাল একটা পরিবেশ বজায় ছিল। ছোটখাট টুকটাক ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এটা খুবই অল্প। এত বড় একটা নির্বাচনে চুয়ান্ন লক্ষ ভোটার, এটা মোটেই ছোটখাট কোন ব্যাপার না। সুতরাং সবদিক দিয়ে আমার মনে হয়েছে, নির্বাচনের পূর্বের অবস্থাটা সেটা খুবই ভাল ছিল। নির্বাচনের দিন আজকে সারাদিন মোটামুটি ভালই কেটেছে। বড় সংঘাতের কোন সংবাদ আমি পাইনাই।
নির্বাচন উত্তর ফলাফল গ্রহণের যে ব্যাপারটি সেটা নিশ্চয় গণতান্ত্রিকভাবে তাদের নেয়া উচিত। আমি তাই মনে করি। রেজাল্ট যাই হোক। ফেল করলেই সব কিছু খারাপ এটা খেলায় হেরে গেলেই রেফারি খারাপ কিম্বা আম্বায়ার খারাপ এই প্রবণতাটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।
# গোলাম রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা