অনলাইন ডেস্ক
সংস্থাটির দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক পরিচালক ড. পুনম ক্ষেত্রপাল সিং সংবাদ মাধ্যমের কাছে এই অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে হার্ড ইমিউনিটি তৈরি হয়েছে এমন কোনো তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
ড. পুনম ভাইরাসের গতি প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে বলেছেন, স্থানীয় পর্যায়ে ভাইরাসটি কার্যকর রয়েছে। নিয়মিত পর্যালোচনা জারি রাখা জরুরি।
এই ভাইরাস মোকাবিলায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থায় শিথিলতা দেখানোর কোনো সুযোগ নেই। রোগ প্রতিরোধে বাংলাদেশ সরকারের বেশকিছু পদক্ষেপের প্রশংসা করেন এই বিজ্ঞানী।
সরকারের সমন্বয়, আগেভাগে রোগ শনাক্তকরণ, স্বাস্থ্যগত ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পদক্ষেপ সুফল এনে দিয়েছে। এসব পদক্ষেপ সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার হার এবং চিকিৎসা সহায়তা দরকার এমন নতুন সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা সীমিত পর্যায়ে রাখতে সহায়তা করেছে।
আশার কথা- বাংলাদেশে সংক্রমণের হার প্রতিদিনই কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় ৯৪টি ল্যাবে ১৮ হাজার ৮৫০টি নমুনা জমা হয়। আগের কিছু নমুনাসহ ১২ হাজার ৯৯৯ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে রোগী শনাক্ত হয়েছেন এক হাজার ৪৭৬ জন। রোগী শনাক্তের হার ১১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। এ সময় মারা গেছেন ৩১ জন। সবমিলিয়ে মারা গেছেন চার হাজার ৭৩৩ জন।
জুলাইয়ের শুরু থেকে পরীক্ষা কমিয়ে দেয়ায় নতুন রোগী শনাক্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে।
fblsk
করোনা পরিসংখ্যান এর লাইভ আপডেট দেখুন
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা