অনলাইন ডেস্ক
সংবাদ সম্মেলনে বাঁ-হাতি এই ব্যাটার বলেন, ‘দেড় বছর কঠিন ছিল। ওই সময়ে কঠিন হওয়ার কারণ আমি নিজেই। আমি যদি ভালো পারফর্ম করতাম তাহলে এত কঠিন হত না। এখানে অজুহাত দেওয়ার কোনো কারণ নেই। কোথায় কোথায় ভুল ছিল, ঘাটতি ছিল এগুলো নিয়ে কাজ করেছি। আমার নিজের ওপর অনেক বিশ্বাস, আমি যেকোনো জায়গা থেকে কামব্যাক করতে পারি, সেখান থেকেই অনুশীলন করেছি। এই বিপিএলে যেভাবে করতে চেয়েছিলাম, যেভাবে ইমপ্যাক্ট রাখতে চেয়েছিলাম বেশ কিছু জায়গায় দলকে সেটা এনে দিতে পেরেছি। আগের দেড় বছর যা হয়েছে এটাও আমার কারণেই। ভালো লাগছে যে উন্নতি করে এই জায়গায় আসতে পেরেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘চ্যাম্পিয়ন হলে তো অবশ্যই ভালো লাগে। গতবারও ভালো লেগেছে। দলে অবদান রাখতে পারলে বাড়তি ভালো লাগে। এবার আমি করতে পেরেছি। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিপিএল। বাড়তি ভালো লাগার ব্যাপার, জয়টা অনেক স্পেশাল।’
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের সঙ্গে এবারের বিপিএলে যাত্রাপথ নিয়ে শান্ত জানান, ‘ভালো জার্নি ছিল সব মিলিয়ে। শুরু থেকেই দায়িত্বের ব্যাপারে কথা ছিল, প্ল্যানিং ছিল। আমি জানতাম হান্নান (সরকার) ভাই প্রধান কোচ হবে। নিলামও ভালো গেছে। দলের ভালো কম্বিনেশন ছিল সিনিয়র-জুনিয়র মিলে। মাঠের ক্রিকেটটা দিন শেষে আসল। দল যেরকমই বানান। সবাই মাঠে সেই ইমপ্যাক্টটা রাখতে পেরেছে। সবাই সবার ভূমিকা পালন করেছে। তাই কৃতিত্ব পুরো দলের। সবাই যেভাবে দলের ওপর ইমপ্যাক্ট রেখেছে। পুরো জার্নি দুর্দান্ত ছিল। আল্লাহর রহমতে দিনশেষে কাপটা জিততে পেরেছি।’
রাজশাহীর ছেলে হিসেবে এবারই প্রথম বিপিএলে রাজশাহীর হয়ে খেললেন শান্ত, ‘অনেক বেশি আনন্দ। এখানে ইমোশন জড়িয়ে আছে। রাজশাহীর হয়ে খেলার কখনও সুযোগ হয়নি। অধিনায়ক হিসেবে খেলা এবং দলকে জেতানো বাড়তি দায়িত্ব। চেষ্টা করেছি রাজশাহীর মানুষদের কাপ উপহার দিতে। ম্যানেজমেন্টের সবাই অনেক সাপোর্টিভ ছিল। আশা করছি তারা সবাই অনেক খুশি। ওভারল ভালো একটা টুর্নামেন্ট কাটাতে পেরেছি।’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা