ফজলুল বারী : করোনার সঙ্গে বিশ্বজুড়ে ব্যাপক পরিচিত একটি শব্দের নাম লকডাউন। এরমাধ্যমে মানুষের চলাচল যারা সীমিত করে দিতে পেরেছে তারা করোনা যুদ্ধে পেয়েছে তত সাফল্য। লকডাউন কড়াকড়িভাবে মানা হয়েছে চীনের উহানে। এরজন্যে উহানের বাসিন্দা কোন চীনা নাগরিকের মাধ্যমে রোগটি ভিন্ন কোন দেশে ছড়ায়নি। পরিপূর্ন লকডাউনের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করতে পারায় আবারও প্রমান হয়েছে চীন যা পারে বিশ্বে আর কেউ তা এভাবে পারেনা। অনেকে বলতে পারেন চীনে গণতন্ত্র নেই। মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা নেই। তাই চীন তা পেরেছে। কিন্তু যে গণতন্ত্র মহামারী নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা, থামাতে পারেনা মৃত্যুর মিছিল, সে গণতন্ত্রের সারবত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। সো কল্ড গনতান্ত্রিক, ধার্মিকদের দেশেই এই রোগটি মহামারীর রূপ নিয়েছে অথবা নিচ্ছে।
অস্ট্রেলিয়া এখনও প্রশাসনিক কাজকর্মে অফিসিয়েলি লকডাউন শব্দটি ব্যবহার করেনি। কিন্তু নানান প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে এই দেশে এরমাঝে মানুষের চলাচলও সীমিত করে ফেলা হয়েছে। এখানকার স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ও চলছে অনলাইনে। রেষ্টুরেন্ট-বার-ক্লাব, খেলার আসর সবকিছুই বন্ধ। এসব কড়াকড়িভাবে নিশ্চিত করায় প্রশান্তপাড়ের দেশটি বলছে তারা সামাজিক দূরত্বের সুফল পাচ্ছে। এতে করে কমে আসছে সংক্রমনের হার। উল্লেখ্য অস্ট্রেলিয়ায় এরমাঝে সবচেয়ে বেশি মানুষের করোনা টেস্ট হয়েছে। আড়াই কোটি মানুষের দেশে আড়াই লক্ষের বেশি মানুষের করোনা টেস্ট হয়েছে। যার ৯৮% ফল এসেছে নেগেটিভ।
সামাজিক দূরত্ব কড়াকড়িভাবে মানাতে এদেশে বেড়েছে পুলিশি টহল। আইন লংঘন পেলেই জরিমানা
করোনা পরিসংখ্যান এর লাইভ আপডেট দেখুন
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা