অনলাইন ডেস্ক
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলেন, চিন্তা করেন, তামিম আসলে কাকে বাদ দিবেন?
বিসিবি সভাপতির কথায় পরিষ্কার তামিম ইকবাল থাকছেন টাইগারদের টি-২০ বিশ্বকাপ দলে। এতে সৌম্য-লিটন-নাঈম তিন ওপেনার থেকে কারো কপাল যে পুড়বে সেটাও পরিষ্কার। অথচ ১০ সেপ্টেম্বরের বিশ্বকাপের দল ঘোষণার আগে তামিমকে ডাকার সুযোগই নেই নির্বাচকদের। তারপরও তিনি অটো চয়েস। অভিজ্ঞতার বিচারে সেটা হতেই পারে। কিন্তু টি-২০ খেলতে আসলেই কি তামিম প্রস্তুত?
তামিমের ইনজুরি মুলত হাঁটুতে। ক্রনিক ইনজুরিতে বিশ্রাম না নিলে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতায় পড়তে হবে। ডেভিড ইয়াংয়ের পরামর্শে তাই তো অন্তত ২ মাসের বিশ্রামে তামিম। মুলত বেশি চাপ কমাতে বেছে বেছে খেলছেন তিনি। যাকে বলে ওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট। এটা পরিষ্কার হয়েছে জিম্বাবুয়ে সিরিজেই। ইনজুরির কারণে তিনি সেখানে টেস্ট খেলেননি ঠিকই কিন্তু তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ঠিকই খেলেছেন। সেঞ্চুরি করেছেন, ফিল্ডিংও ছিলেন অসাধরণ। কিন্তু টি-২০ না খেলে ফেরত আসেন। প্রশ্নটা এখানে!
সামনেই টি২০ বিশ্বকাপ। তামিমের পরিকল্পনায় যদি বিশ্বকাপ থাকতো তাহলে সব বাদ দিয়ে -সবচে গুরুত্ব পেতো টি২০ ম্যাচই ।
যে প্রশ্নের ধারবাহিকতা হিসেবে আসে অস্ট্রেলিয়া-নিউজিল্যান্ড সিরিজও। এখানে যদি ওয়ানডে থাকতো তাহলে তামিম ইকবাল কি খেলতেন? অধিনায়ক হিসেবে সুপার লিগের সেই ম্যাচ হয়তো মিস করতে চাইতেন না। কিন্তু টি-২০ বলেই তামিম নেই। এখানেই পরিষ্কার হয় এই সময়ে টি-২০ খেলতে চাইছেন না তামিম।
এভাবে ইনজুরি আর পারিবারিক কারণে খেলেননি গেল চার টি-২০ সিরিজেই। সবশেষ টি-২০ ম্যাচ খেলেছিলেন দেড় বছর আগে ২০২০ সালের মার্চে। পরিসংখ্যানে টি-২০ তে তার স্ট্রাইক রেট বা গড় হিসেবের বাইরে। বিশ্বকাপের বছরে এসেও একজন ক্রিকেটার যখন ঐ ফরম্যাটটাই খেলছেন না তখন তাকে কেন বিশ্বকাপ দলে?
বিসিবিতে সামনেই নির্বাচন। তাই এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে এখন রাজনীতিতে পড়তে চান না বিসিবির কোন কর্তাই। তাই তো ধোঁয়াশা কাটাতে পারেন তামিম ইকবাল নিজেই। পরিষ্কার করতে পারেন, বিশ্বকাপে থাকতে চান কি তিনি?
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা