প্রধান তথ্য কমিশনার। ছবি: তথ্য কমিশন।
প্রধান তথ্য কমিশনার মরতুজা আহমদ বলেছেন, তথ্য অধিকার আইন আমাদের মহান স্বাধীনতা ও সংবিধানের মূল চেতনার প্রতিফলন।
তিনি বলেন, তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং তথ্যে জনগণের প্রবেশ অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষে ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন ও তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এটি আমাদের জন্য একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
তিনি আরো বলেন, জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারি, স্বায়িত্বশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারি ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বে-সরকারি সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। খবর : বাসস এর।
মরতুজা আহমদ বুধবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে শহরের মাগুরা আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন ও তথ্য কমিশন আয়োজিত তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ ও তথ্য অধিকার সংক্রান্ত অনলাইন ট্রাকিং বিষয়ক জন অবহিতকরণ সভায় এ কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক আশরাফুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তথ্য কমিশনের পরিচালক (প্রশাসন) জেআর.শাহরিয়ার, পুলিশ সুপার খান মুহাম্মদ রেজোয়ান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান পঙ্কজ কুন্ডু ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু নাসির বাবলু।
তিনি আরো বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার যে ঘোষণা দিয়েছেন, সে আলোকে তথ্য অধিকার বাস্তবায়নের লক্ষে এ বছর অনলাইন ট্রাকিং সিস্টেম প্রর্বতন করে মডেল ডিজাইন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, সংবিধানে বলা হয়েছে জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস। সেখানে জনগণ কর্তৃপক্ষের পেছনে সেবার জন্য দৌড়াবে না। ২/১ টি ব্যতিত সকল তথ্য জনগণকে দিতে হবে।
পরে তিনি জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ ও তথ্য অধিকার সংক্রান্ত অন লাইন ট্রাকিং বিষয়ক প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন।
প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি শিক্ষক, সাংবাদিকসহ ৬০ জন অংশ নেন।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা