অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবার (১০ সেপ্টেম্বর) রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ওই ভিডিও ফাঁস হয়।
ভিডিওতে দেখা যায়, চিত্ত রঞ্জন দাস একটি কক্ষে ২০-২১ বছর বয়সী এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর আচরণ করছেন। ওই কক্ষের কেউ তা গোপনে ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। যা মুহূর্তের মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায়।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের নেতারা বলেন, ব্যক্তি চিত্ত রঞ্জন দাসের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের দায় দল নেবে না। এর দায় তাকেই নিতে হবে। চিত্র রঞ্জন দাসের আগে থেকে নারী লিপ্সা ছিল। যার কাছে কোনো মেয়ে নিরাপদ না, তিনি আবার জনগণের সেবক হন কীভাবে তা ভেবে পাই না। এই নৈতিক অবক্ষয় মেনে নেওয়া যায় না।
সবুজবাগ থানা আওয়ামী লীগের জামিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, চিত্ত রঞ্জন দাসের মতো একজন দায়িত্বশীল প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ও কাউন্সিলরের কাছ থেকে জনগণ এটা প্রত্যাশা করে না। ভিডিওটি দেখার পর থেকে আমি চরম ক্ষুব্ধ ও মর্মাহত।
বিষয়টি নিয়ে চিত্ত রঞ্জন দাসের সঙ্গে মোবাইল ফোন নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তা বন্ধ পাওয়া গেছে।
এ ব্যাপারে সবুজবাগ থানার ওসি বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা