ডাচ বাংলা ব্যাংক লিঃ এর সহযোগী ডিপার্টমেন্ট অলটার্নেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল ডিভিশন (এডিসি) ডিভিশন এ কমর্রত ৪ হাজার কর্মীর নির্দিষ্ট সরকারি ছুটি বাতিল করে নোটিশ জারি হয়েছে। এতে করে এই পদে কর্মরত কর্মীদের মধ্যে হতাশা এবং ক্ষোভ বিরাজ করছে।
২০১০ সালে ডিবিবিএল লিঃ এর ফাষ্ট ট্রাক (এফটি) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দুইজন অফিসার যথাক্রমে সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত একজন এর পর দ্বিতীয় জন বিকেল ২টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত সপ্তাহে রবি থেকে বৃহস্পতিবার কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু ২০১৪ সালে বর্তমান ডিবিবিএল এর এম.ডি আবুল কাশেম মোঃ শিরিন ডিএমডি-১, থাকাবস্থায় তার একক ক্ষমতা বলে সপ্তাহে প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত ডিউটি করতে বাধ্য করেন। যার বিনিময়ে কোন প্রকার অতিরিক্ত ভাতা এখন পর্যন্ত দেওয়া হচ্ছে না।
গতবছরের ২ জুন থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ৭ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ডিউটি করাচ্ছে তারপর আবার নতুন করে রি-সিডিউল করা হয়েছে। যা সকাল ৭ টা থেকে রাত ১১ টা পর্যন্ত ডিউটি করতে হবে। সেখানে আমরা সরকারী ছুটিসমূহ ভোগ করতে পারব না, তা উল্লেখ আছে।
ব্যাংকে কর্মরত নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা লাল সবুজের কথা’কে জানান, যদিও এটি একটি ব্যাংকিং সহায়তা সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান কিন্তু ব্যাংকিং সকল প্রকার কার্যক্রম মাসিক টার্গেট অনুযায়ী করে নেওয়া হচ্ছে। যা ব্যাংকিং নিয়ম বহির্ভূত। যদিও বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী সেখানে ফাষ্ট ট্রাক-এ নিরাপত্তা ছাড়া লেনদেন নিষেধ কিন্তু ‘ডিবিবিএল ম্যানেজম্যান্ট ভোর ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত কার্যক্রম চালাবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংকের কর্মকর্তারা অভিযোগ করেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নিরাপত্তা ছাড়া রাত ১১টা পর্যন্ত লেনদেন কতটা নিরাপদ তা জনমনে প্রশ্ন থেকে যায়। রাত ১১টা পর্যন্ত অফিস করে ঢাকা এবং ঢাকার বাহিরে একজন অফিসারের রাস্তায় কতটুকু নিরাপত্তা আছে সেটা ভেবে দেখার প্রয়োজন মনে করেনি যা নিয়ে আমরা জীবনের নিরাপত্তার শঙ্কায় ভুগছি।
বিষয়টি নিয়ে এম.ডি আবুল কাশেম মোঃ শিরিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ, বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক সমুহের মধ্যে ডাচ বাংলা ব্যাংক একটি। এটি লার্জেষ্ট এটিএম নেটওয়ার্ক এবং অনলাইন কার্যক্রম শুরু থেকে এখন পর্যন্ত এই সেবাদানে প্রথম স্থানে রয়েছে যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ২০১০ সালে ডিবিবিএল লিঃ এর ফাষ্ট ট্রাক (এফটি) কার্যক্রম শূরু হয়েছে।
ধন্যবাদ সংবাদটি প্রকাশ করায়, আমি এই প্রতিষ্ঠানের একজন ফাস্ট ট্র্যাক অফিসার, আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাদ পড়েছে যা মানবতা বিরোধের নামান্তর, সেটি হল অফিসারের পোস্টিং, ইচ্ছাকৃত ভাবে কুড়িগ্রামের একজনকে ভোলায় আর কুমিল্লার লোককে রাজশাহিতে পোস্টিং দেয়া হয় এক কথায় বিড়ম্বনা যুক্ত দূরত্বে, যা মানুষকে দেয় শুধু দুর্ভোগ, যে কোন মানুষের কোন নিকট আত্মীয় মারা গেলে তার লাশ নিয়ে দেড় দিন বসে থাকতে হবে অফিসারের বাড়ি পৌঁছতে । আবার ঈদ বোনাসের টাকা শেষ হবে বাড়ি যাতায়াতেই, মানবতার কল্যাণে যে ব্যাংক এত এগিয়ে তাদের কাছে এমন ব্যাবহার সত্যিই বড় কষ্টের কারন ।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা