অনলাইন ডেস্ক
পুলিশ ও শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিশুটির বাবা একজন ইজিবাইক চালক। তার ১২ বছর বয়সী ছেলেটি গত এক বছর ধরে ওই কওমি মাদরাসায় আবাসিক ছাত্র হিসেবে নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত। তাকে বিভিন্ন সময় নানা ধরনের প্রলোভন দেখিয়ে নিজের কক্ষে নিয়ে বিভিন্ন সময় যৌন নির্যাতন করতেন মদরাসা প্রধান। বিষয়টি ভয়ে ও লজ্জা কাউকে বলেনি শিশুটি। সম্প্রতি মাদরাসা প্রধান বেপরোয়া হয়ে গেলে সে বিষয়টি তারা বাবাকে জানায়। এরপর ছেলেকে মাদরাসা থেকে নিয়ে আসেন তার বাবা। একই সঙ্গে ইউএনওর কাছে লিখিত অভিযোগও দেওয়া হয়।
পরে রবিবার রাতে মাদরাসা প্রধানের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুটির বাবা। মামলার পর রাতেই অভিযুক্ত নূর মোহাম্মদ আজমিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশ জানায় প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে করিমগঞ্জ থানার ওসি মো. মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘শিশু বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পর ওই কওমি মাদরাসা প্রধানকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আর শিশুটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে। এ ছাড়া আসামিকে আদালাতে পাঠানোসহ আইনগত যে প্রক্রিয়াগুলো রয়েছে, সেগুলো এখন করা হচ্ছে।’
করিমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ আবু রিয়াদের সঙ্গে আজ সোমবার সকালে কথা হলে তিনি বলেন, ‘নূর মোহাম্মদ আজমি উপজেলা পরিষদের খতিব ছিলেন। শিশু বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়ার পর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। পরে অভিযোগ প্রমাণ হলে স্থায়ীভাবে বরখাস্ত করা হবে।’
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা