অনলাইন ডেস্ক
চেন্নাইয়ের জয়ে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছেন ৩৪ বছর বয়সী আম্বাতি রাইডু এবং ৩৬ বছর বয়সী ফাফ ডু প্লেসি। মাত্র ৬ রানে দুই উইকেট পতনের পর ফাফ ও রাইডু মিলে গড়েন ১১৫ রানের জুটি, তাও মাত্র ১৪ ওভারে। দলীয় ১২১ রানের মাথায় ৪৮ বলে ৭১ রান করে ফেরেন রাইডু।
তবে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে অপরাজিত থেকেই মাঠ ছাড়েন ফাফ। তার ব্যাট থেকে আসে ৪৪ বলে ৫৮ রানের অনবদ্য ইনিংস। এর সঙ্গে স্যাম কুরান ৬ বলে ১৮ রানের কার্যকরী ক্যামিও ইনিংস খেললে সহজ হয় চেন্নাইয়ের জয়।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনাই পেয়েছিল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। রোহিত শর্মা আর কুইন্টন ডি কক ২৮ বলের উদ্বোধনী জুটিতে তুলেন ৪৬ রান। তবে দারুণ এই শুরু ভেস্তে যায় মুম্বাই টানা দুই ওভারে রোহিত (১০ বলে ১২) আর ডি কককে (২০ বলে ৩৩) হারালে।
তৃতীয় উইকেটে সূর্যকুমার যাদবকে (১৬ বলে ১৭) নিয়ে অবশ্য সেই ধাক্কা অনেকটাই সামলে নিয়েছিলেন সৌরভ তিওয়ারি। একটা সময় ৩ উইকেটে ১২১ রান ছিল মুম্বাইয়ের। কিন্তু ১৫তম ওভারে এসে ফের জোড়া ধাক্কা। এক ওভারেই রবীন্দ্র জাদেজার শিকার দুই ব্যাটসম্যান।
ভারতীয় এই স্পিনারের ঘূর্ণিতে ৩১ বলে ৩ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় ৪২ রান করে সৌরভ ফেরেন ডু প্লেসিসের ক্যাচ হয়ে। তিন বল পর আউট হন বড় ২ ছক্কা হাঁকিয়ে ১০ বলে ১৪ রান করা হার্দিক পান্ডিয়াও।
এরপর বল হাতে চমক দেখিয়েছেন লুঙ্গি এনগিদি। ক্রুনাল পান্ডিয়ার (৩ বলে ৩) পর মুম্বাই ব্যাটিংয়ের শেষ ভরসা কাইরন পোলার্ডকে (১৪ বলে ১৮) ফিরিয়েছেন প্রোটিয়া এই পেসার। পকেটে পুরেছেন জেমস প্যাটিনসকেও (৮ বলে ১১)।
ধুঁকতে থাকা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স এরপর আর বেশি দূর আগাতে পারেননি। ৯ উইকেটে ১৬২ রানেই থামতে হয়েছে চারবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা