অনলাইন ডেস্ক
বুধবার (৩ মার্চ) সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা জানান মন্ত্রী।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ‘বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দণ্ড নিয়ে পরিবারের আবেদন পরীক্ষা হচ্ছে। সময়টা (বেগম জিয়ার দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ) বোধ হয় শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেজন্য তারা আবার সময়টা এক্সটেনশন করার জন্য, আরও কিছু শর্ত শিথিল করে এক্সটেনশন চেয়েছেন। উনি যা চেয়েছেন আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত দেয়ার জন্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘তারা তাদের পত্রে শর্ত আরও শিথিল করে, করোনাকালে চিকিৎসা নিতে পারেননি সেটি জানিয়েছেন। এছাড়া তার দণ্ডাদেশ মওকুফ করা যায় কি-না সে বিষয়েও তারা বলেছেন।’
এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মাত্র গতকাল চিঠি পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতার জননী। তিনি বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নেবেন বলে আমরা আশা করছি।’
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিশেষ আদালতের রায়ে পাঁচ বছরের দণ্ড নিয়ে কারাবন্দি হন খালেদা জিয়া। একই বছরের ৩০ অক্টোবর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা পাঁচ বছর বাড়িয়ে ১০ বছরের আদেশ দেন বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ।
অন্যদিকে, ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত। রায়ে সাত বছরের কারাদণ্ড ছাড়াও খালেদা জিয়াকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ডাদেশ দেন আদালত।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা