বাংলাদেশের হয়ে ক্রিকেট না খেললে সাকিব আল হাসানের বিন্দুমাত্র ক্ষতি হবেনা, ক্ষতিটা হবে বাংলাদেশ ক্রিকেটের। সাকিব আজ চাইলে কাল ইংল্যান্ডের ক্লাব ক্রিকেটগুলো কালপক ডিল করার জন্য উঠে পড়ে লাগবে। আর বাংলাদেশী ক্রিকেটারদের মধ্যে একমাত্র সাকিব আল হাসানেরই যোগ্যতা আছে কালপক ডিল করার। আমরা যতটুকু জানি একজন ক্রিকেটার কালপক ডিল করলে তার খেলোয়াড়ি জীবনের পরের সময়টার জন্যও মোটা অক্ষের অর্থ সম্পদের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। তাছাড়া বড় বড় ক্রিকেটীয় দেশগুলোতেও এখনো খেলার যোগ্যতা রাখেন সাকিব। আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট সাকিবকে না বললে কাল আরও কয়েকটা দেশ লুফে নিতে চাইবে।
সাকিব আল হাসানের জীবনের সেরা একটা ভুল হয়তো ছিলো ইসিবির অফার প্রত্যাখান করে দেওয়া। ২০১০/১১ সালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের অফার লুফে নিলে আজ ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ডটাও হয়তো থাকতো সাকিব আল হাসানের নামের পাশে। আমাদের দেশের কালের কন্ঠের নটআউট নোমান,মোস্তাফা মামুনরা হয়তো তখন তাদের পত্রিকার হেডলাইন ভারী করতেন এই বলে যে”বাংলাদেশের সাকিবের ইংল্যান্ডের হয়ে বিশ্বকাপ জয়। তখন হয়তো এদেশের দর্শক,মিডিয়াগুলোও আফসোসে পুড়তো। পাপন,সুজনদের মতো তখন কোনো মাথা মোটাদের খপ্পরে পড়তে হতো না সাকিবকে।
২০১০-২০১৯ সালের মধ্যখানে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিমের হয়ে সাকিব যা করেছেন সেই অর্জনগুলো তিনি ইংল্যান্ডের হয়ে করলে আজ হয়তো তার নামের পাশে”নাইটহুড” উপাধি থাকতো। যেটা সর্বশেষ ওডি আই বিশ্বকাপের সময় অস্ট্রেলিয়ান এক ধারাভাষ্যকারও বলেছিলেন।
সবমিলিয়ে আফসোস হয় সাকিব আল হাসানের জন্য। ইসিবির সেই অফারের পরিপ্রেক্ষিতে সাকিব বলেছিলেন”আমি আমার দেশের জন্য খেলতে চাই দুঃখিত সাকিব আল হাসান আপনি এদেশের হয়ে খেলতে চাইলেও এদেশের বোর্ড সভাপতি আর কিছু দর্শকরা হয়তো সেটা চায়না
আব্দুল্লাহ কাফির ফেসবুক পেজ থেকে।
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা