অনলাইন ডেস্ক
গত বুধবার (১ অক্টোবর) রাত ১০টার পর থেকেই শুরু হয় টানা ভারী বর্ষণ। সেই সঙ্গে সৈকত এলাকায় শুরু হয় দমকা হাওয়া। এ সময় সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে থাকা পর্যটকরা ছোটাছুটি শুরু করেন এবং আশ্রয়ের জন্য নিরাপদ জায়গা খোঁজেন।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত ছাড়াও চর বিজয়া, ফাতরার চরসহ আশপাশের দ্বীপমুখী পর্যটন এলাকায় আপাতত যাতায়াত ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ভ্রমণকারীদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা থেকে পরিবার নিয়ে কুয়াকাটায় আসা পর্যটক মোস্তাফিজুর রহমান রুবেল বলেন, টানা চার দিনের ছুটির আনন্দ কুয়াকাটায় কাটানোর পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে হোটেলে বন্দী থাকতে হচ্ছে। এমন অবস্থায় চারদিন থাকা সম্ভব না, ফিরে যাওয়ার কথা ভাবছি।
রাজশাহী থেকে আসা আরেক পর্যটক শামসুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া একদম ঠিক ছিল, কিন্তু হঠাৎ করে মেঘ জমে বৃষ্টি নামল। তখন আমি বাচ্চাদের নিয়ে কোথাও দাঁড়ানোর জায়গাও পাইনি, ভিজেই হোটেলের দিকে রওনা দিতে হয়েছে।
কুয়াকাটার হোটেল রনির পরিচালক মানিক মিয়া বলেন, অনেকদিন পর কুয়াকাটায় অনেক পর্যটক এসেছে। তবে গতকাল থেকেই হালকা বৃষ্টি হচ্ছিল। এখন যদি আবহাওয়া খারাপই থাকে, তাহলে পর্যটকেরা ছুটি শেষ না করেই ফিরে যেতে পারেন।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ রিজিওনের পরিদর্শক সাখাওয়াত হোসেন তপু বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার ছুটিতে পর্যটক সমাগম বাড়বে, এমনটা আগেই ধারণা ছিল। তাই সব দর্শনীয় স্থানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও দায়িত্বশীলদের যথাযথ দায়িত্ব পালনের অনুরোধ জানাই।
পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে এই বৈরী আবহাওয়া তৈরি হয়েছে, যা আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে এখনই নির্দিষ্ট কিছু বলা যাচ্ছে না।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা