অনলাইন ডেস্ক
শনিবার (২৯ জানুয়ারি) আইএমএফ এর সাথে ৬ বিলিয়ন ডলারের ঋণ চুক্তির পর এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের অর্থ মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বড় বৈদেশিক ঋণগুলো পরিশোধের আগে পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বাড়াতেই এ ঋণ নিতে হয়েছে।
জানা গেছে, পাকিস্তানের ইতিহাসে ইসলামিক বন্ডে নেয়া ঋণের এটিই সর্বোচ্চ সুদের হার। ঋণের বিনিময়ে ৭ বছরের জন্য লাহোর-ইসলামাবাদ মোটরওয়ের একটি অংশ বন্ধক রেখেছে পাকিস্তান। বিখ্যাত এ মোটরওয়েটি ৯০ এর দশকে তৈরির পর থেকেই আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজার থেকে ঋণ সংগ্রহ করতে পাকিস্তান এটিকে ব্যবহার করছে।
প্রতিবেদনে অর্থ মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, দেড় মাস আগে সৌদি আরব থেকে ঋণ নেয়া ৩ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারই খরচ হয়ে গেছে। এরপর আবারও সরকারকে অর্থের জন্য আন্তর্জাতিক পুঁজিবাজারের দ্বারস্থ হতে হয়। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত পাকিস্তানের ফরেন রিজার্ভ ১৭ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
প্রসঙ্গত, ইসলামিক সুকুক বন্ড ও ট্রেডিশনাল ইউরোবন্ডের মধ্যে পার্থক্য হলো, ঋণগ্রহীতাকে ইসলামি সুকুক ঋণের বিনিময়ে একই পরিমাণ সম্পত্তির মালিকানা দিতে হবে। যেখানে ইউরোবন্ডে ঋণ ভিত্তিক অর্থ দেয়া হয়। ইসলামিক সুকুক বন্ডের সুদের হার কম কিন্তু পাকিস্তান সরকার এতেও রেকর্ড হারে সুদ দিতে যাচ্ছে।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা