অনলাইন ডেস্ক
শুক্রবার তার ফেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে এক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এই সমালোচনা করেন।
পাঠকের জন্য তারানা হালিমের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো-
গ্রাহকদের উপর ইন্টারনেট ব্যবহার ও কলরেট বৃদ্ধির বোঝা !!
করোনার সময় মোবাইলে কথা বলা,ভিডিও কল,on line এ কাজ করা-এখন যেমন social distancing এ পরোক্ষভাবে অত্যন্ত কার্যকর তেমনি মানসিক সুস্বাস্হ্যের জন্য বিভিন্ন দেশ Internet এর মাধ্যমে কাজের সাথে, স্বজনদের সাথে সংযুক্ত থাকতে উৎসাহিত করছে জনগণকে। উল্লেখ্য যে,আমি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন কলরেট বৃদ্ধিসহ গ্রাহকদের উপর চাপ পরে এমন কোন কিছুর সাথে একমত হইনি কারণ মোবাইল ও ইন্টারনেট -এর ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য voice ও data এবং ইন্টারনেট ব্যবহারে মানুষকে আরো উৎসাহিত করার পূর্বশর্ত সাশ্রয়ী মূল্য। বিশেষ করে student দের জন্য। বুঝলাম না telecom service -কে করোনা কালীন সময়ে অপরিহার্য সেবা বলা হলো আবার ১০০ টাকা রিচার্জ করলে বাজেটে আগের ২১ টাকার বদলে এখন কেন ২৫ টাকা করা হলো (হিসাব তাই বলে)। বর্তমান মন্ত্রী জনাব মোস্তফা জব্বার- এর প্রতি বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য মাননীয় অর্থ মন্ত্রী মহোদয় কে অনুরোধ করার অনুরোধ রইলো।
তারানা হালিম ২০১৫ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৯ সাল পর্যন্ত তিনি তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
বৃহস্পতিবার প্রস্তাবিত বাজেটে মোবাইল সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ১৫ শতাংশ করা হয়েছে। নতুন করহারে মোবাইল সেবার ওপর মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) ১৫ শতাংশ, সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ ও সারচার্জ ১ শতাংশ। ফলে মোট করভার দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এ হিসাবে প্রতি ১০০ টাকা রিচার্জে সরকারের কাছে কর যাবে ২৫ টাকার কিছু বেশি। এতদিন তা ২২ টাকার মতো ছিল।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা