অনলাইন ডেস্ক
তিনি বলেন, আমরা (চীন) বিশ্বাস করি, আমাদের আঞ্চলিক সমস্যাগুলো এশীয় পদ্ধতিতে সমাধান করা উচিত… ইউরোপীয় মানের পদ্ধতি (এখানে) অনুশীলনের মাধ্যমে নয়।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিকাব) আয়োজিত ‘ডিকাব টক’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, বেইজিং বঙ্গোপসাগরকে ভারী অস্ত্র-সজ্জিত হিসেবে দেখতে পছন্দ করে না এবং আশা করে যে এখানকার সব আঞ্চলিক দেশ এক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
তিনি বলেন, আমরা আশা করি … সমস্ত অংশীজনদের একটি ইতিবাচক ভূমিকা পালন করা উচিত। কিছু দেশ (বর্তমানে) ইউরোপে যেভাবে কাজ করছে (সেভাবে) কাজ করা উচিত নয়।
ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে রাষ্ট্রদূত বলেন, ভারতের সঙ্গে চীনের কোনো কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা বৈরিতা নেই। আমরা আশা করি যে এক বিলিয়নেরও বেশি জনসংখ্যার দেশ চীন এবং ভারত উভয়েই অর্থনৈতিক এবং অন্যান্য সমস্যা সমাধানে একসাথে কাজ করতে পারবে।
তিনি বলেন, এই অঞ্চলে উন্নয়ন, শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে বেইজিং বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি এমনকি অটোমোবাইল তৈরির মতো উচ্চ পর্যায়ের শিল্পায়নে যেতে প্রস্তুত।
বিশ্ব অর্থনীতির ১৮.৫ শতাংশের অংশীদার একটি অর্থনৈতিক শক্তি হিসাবে চীন সবসময় বাংলাদেশসহ প্রতিবেশী দেশগুলো সাথে যৌথ উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি আরও বলেন, চীনা কোম্পানি এবং চীনা জনগণ বাংলাদেশকে খুবই ইতিবাচক দৃষ্টিতে দেখে।
বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক শান্তি এবং অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পূর্বশর্ত উল্লেখ করে রাষ্ট্রদূত বলেন, তিনি বিশ্বাস করেন যে বাংলাদেশ ‘শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে’ অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধান করতে সক্ষম হবে।
রাষ্ট্রদূত বলেন, রুশ-ইউক্রেন দ্বন্দ্বের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের বর্তমান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জরুরি শক্তি সরবরাহের সম্ভাব্য উৎস অনুসন্ধানে ঢাকা ও বেইজিং উভয়ই একসঙ্গে কাজ করছে।
ইউক্রেন ইস্যুতে তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে অভিন্ন অভিমত পোষণ করে। ‘আমরা উভয়েই শান্তির পক্ষে দাঁড়িয়েছি এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সকলের উদ্বেগের যথাযথ নিষ্পত্তির আহ্বান জানাই।
রোহিঙ্গা ইস্যু প্রসঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, সংকটর টেকসই সমাধানে বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য হচ্ছে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মানুষদের বাংলাদেশ থেকে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা। তিনি আরও বলেন, তাদের (রোহিঙ্গাদের) অবশ্যই (মিয়ানমারে) যেতে হবে।
ডিকাব সভাপতি রেজাউল করিম লোটাস ও সাধারণ সম্পাদক একেএম মঈনুদ্দিন বক্তব্য রাখেন।
fblsk
পরবর্তী মন্তব্যের জন্য আপনার নাম,ইমেইল,ওয়েবসাইট ব্রাউজারে সংরক্ষণ করুণ
সম্পাদকঃ
বিডিবিএল ভবন ( লেভেল - ৮) ১২ কারওয়ান বাজার সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ।
কপিরাইট © ২০২৪ পাওয়ার্ড বাই লালসবুজের কথা